মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

নদ-নদী

রংপুর জেলার নদ-নদী

নদী মাতৃক দেশের বৃহত্তর অংশ হিসাবে রংপুর  জেলায়ও ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে নাম জানা ও নাজানা অসংখ্য ছোট বড় নদী। এ এলাকায় কৃষি ও অথনৈতিক ক্ষেত্রে এসব নদীর ভুমিকা অনস্বীকার্য । বৃহত্তর রংপুর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তা, ব্রহ্মপূত্র, যুমনা, ধরলা, ঘাঘট, দুধকুমার, প্রভৃতি নদী। রংপুরের নদ-নদীর আয়তন ৫শ ২৩ দশমিক ৬২ কিলোমিটার  বা ৩শ ২ বর্গমাইল।

রংপুর জেলার নদ-নদী গুলোর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিচে তুলে ধরা হলোঃ

১। তিস্তাঃ  তিস্তা রংপুর অঞ্চলের প্রধান নদী। এটি ব্রহ্মপুত্রের একটি উপনদী। ভারতের উত্তর সিকিমের পার্বত্য এলাকায় এর উৎপত্তি। পার্বত্য এলাকায় এর প্রবাহ সৃষ্টি করেছে অপরুপ দৃশ্যের। লাচেন এবং লাচুং নামের দু’পর্বত স্রোতধারাই তিস্তার উৎস। এ দু’স্রোত ধারা সিকিমের চুংথাং-এ এসে মিলেছে। চুংথাংক এর ভাটিতে তিস্তা আস্তে আস্তে প্রশস্থ হতে থাকে। সিংতামে এর প্রশস্ততা ৪৩ কিলোমিটার। জলপাইগুড়ি জেলার মোট ৫৬ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে তিস্তা নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার ছাতনাই গ্রামের প্রায় ১ কিলোমিটার উত্তর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বাংলাদেশে ১শ ১২ কিলোমিটার পথ প্রবাহিত হয়ে তিস্তা চিলমারীর দক্ষিনে গাইবান্ধা জেলার কামারজনি মৌজায় ব্রহ্মপুত্র নদে মিলিত হয়। এ নদী বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের অধিকাংশ জেলা অর্থাৎ নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার উপর দিয়ে প্রভাবিত হয়। ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যমত তিস্তা ছিল উত্তরবঙ্গের প্রধান নদী। তিস্তা নদীর দুটি ব্যারেজ একটি ভারতের গজলডোবায়, অন্যটি বাংলাদেশের দোয়া নীড়ে। বুড়ি তিস্তা, ঘাঘট, মানাস, ধাইজান ইত্যাদি তিস্তার শাখা নদী ছিলো কিমতু ধীরে ধীরে উৎস  নদী থেকে এগুলো পৃথক হয়ে গেছে।

২। ঘাঘটঃ তিস্তার একটি শাখা নদী। ঘাঘট পূর্বে খুব গুরুত্বপূর্ন নদী ছিল এবং শহরটি এর তীরেই অবস্থিত। নীলফামারী জেলা কিশোরগঞ্জ থানার কুজিপাড়া গ্রামে উৎপত্তি। আকাবাকা নদী। উৎপত্তি স্থল থেকে গংগাচড়া থানার পশ্চিম সীমানা দিয়ে রংপুর সদর থানা অতিক্রম করে পীরগাছা থানায় প্রবেশ করেছে। এরপর আলাইকুড়ি নদীকে সাথে নিয়ে গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর হয়ে যমুনা নদীতে মিলিত হয়েছে। গাইবন্ধা শহরের ৮ কিলোমিটার পূর্বে মানাস নদী ঘাঘটের সাথে যুক্ত হয়েছে। ঘাঘট ধীরগতির নদী হিসেবে পরিচিত। পূর্বে এ নদী তিস্তার উপনদী ছিল। উনবিংশ শতাব্দীতে নদীর মোহনা ভরাট হওয়ায় তিস্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে  পড়ে। ধীওে ধীওে সংকীর্ন হয়ে এটি এখন শহরের গুরুত্বপূর্ন ড্রেণণের মত হয়ে পড়েছে। ঘাঘটের প্রধান স্রোত দক্ষিণ দিকে মানাসের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং দক্ষিণ দিকে আলাই নদীর শাখা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এর অন্য চ্যানেলটি পূর্বদিকে যমুনার সাতে মিলেছে। জুলাই-আগষ্ট মাসে পানির সর্বোচ্চ প্রবাহ থাকে। মার্চ-এপ্রিলে ক্ষীণধারায় বয়ে চলে এ নদীটি।

৩। মানাসঃ নীলফামারী জেলার  কিশোরগঞ্জে তিস্তার একটি শাখা নদী থেকে উৎপত্তি। উৎপত্তিস্থল থেকে গংগাচড়া থানা অতিক্রম করে কাউনিয়া থানার হারাগাছ বন্দরের পশ্চিম দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। প্রবাহ পথে মীরবাগ রেলওয়ে স্টেশনের পূর্বে বড় ব্রীজের নিচ দিয়ে পীরগাছা থানায় প্রবেশ করে। পওে আলাইকুড়ি নদীকে সাক্ষাৎ দিয়ে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার ভিতর দিয়ে ঘাঘট নদী হয়ে অবশেষে যমুনায় পতিত হয়েছে। এ নদীর দুরুত্ব ৮৮ কিলোমিটার।

৪। আখিরাঃ আখিরা একটি ছোট নদী। রংপুর জেলা পীরগঞ্জ থানা এলাকা ও দিনাজপুর জেলা ঘোড়াঘাট থানা এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত। ১১৭৬ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষের সময় জরুরী ভিত্তিতে খাদ্য সরবরাহের জন্য এ নদীর উৎপত্তি হয়। পীরগঞ্জ থানার বড়বিল বা ধোপ নামক জলাশয় থেকে রংপুর সদর থানার সদ্যঃপূস্করিনী এলাকার চৌদ্দভূষণ বিল পর্যমত একটি খাল খনন করা হয়। এর পর বড় বিল থেকে আর একটি খাল খনন করে ঘোড়াঘাট থানার উত্তরে করতোয়ার সাথে যুক্ত করা হয়। ঘোড়াঘাট বন্দর থেকে এখান দিয়ে খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করা হতো। এছাড়া এ খালের মাধ্যমে অভ্যমতরভাগের পানি নিস্কাসনও করা হতো। আকারে ও আকৃতিতে খালের মতো হলেও এ এলাকার জনজীবনে নদীটির ভুমিকা রয়েছে অনেক।

৫।  মরা নদীঃ রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার চৈত্রকোল গ্রামের একটি জলাশয় থেকে উৎপত্তি হয়ে সর্পিল গতিতে বয়ে গেছে আটিয়াবাড়ি গ্রামে। এর পর গন্ধরপুর,কোমরসই ও কাদিরাবাদের মাঝ দিয়ে প্রভাবিত হয়ে সোনাইল গ্রামের পশ্চিম দিয়ে মহারাজপুর ঘাটের উত্তরে করতোয়ার সাথে মিলিত হয়েছে। শুধু বর্ষাকাল ছাড়া এ নদীতে পানি থাকে না। তাই জনগন নাম দিয়েছে মরা নদী। এ নদীর তীরে কাদিরাবাদ মদনখালি স্থানে কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে।

৬। টোপাঃ  ঘাঘট নদী থেকে টোপা নদীর উৎপত্তি। উৎপত্তিস্থল থেকে রংপুর ক্যাডেট কলেজের কিছু দুরে রংপুর-বগুড়া সড়কের বড় ব্রীজের নিচ দিয়ে মাহিগঞ্জের দিকে চলে গেছে।  এককালে মাহিগঞ্জের পশ্চিমে এ নদীর তীরে বড় বন্দর গড়ে উঠেছিল। বর্তমানে মাহিগঞ্জের ধারটি ভরাট হয়ে গেছে। ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দের ভূমিকম্পে এ নদীর গতিপথ পূর্বমূখী হয়ে মানস নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।

৭। ধাইজানঃ  নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার দড়ি ভেজা বিলের স্রোত হতে ধাইজান নদীর উৎপত্তি। এটি জলঢাকা কিশোরগঞ্জ প্রবাহতি হয়ে কিশোরগঞ্জের যমুনেশ্বরীতে পতিত হয়েছে। এটা মরা ধাইজান নামে একটি শাখা আছে যেটি  কিশোরগঞ্জের ধাইজান নদী হতে উৎপত্তি এবং অবশেষে বদরগঞ্জ উপজেলার যমুনেশ্বরীতে পতিত হয়েছে।

৮। বুলাই নদীঃ বুলাই নদী নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার বড় ঘাট এর স্রোত থেকে উৎপত্তি। যমুনেশ্বরী নদীতে পতিত হওয়ার আগে এটি দক্ষিণ দিকে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ, জলঢাকা এবং রংপুর জেলার বদরগঞ্জের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

৯। বুড়িখোড়া-চিকলীঃ  নীলফামারী জেলার ডোমার থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার ভাটিতে সোনারাই বিল নামক একটি জলাভূমি থেকে বুড়িখোড়া-চিকলীর উৎপত্তি। উৎপত্তিস্থল থেকে  আকাবাঁকা পথে প্রবাহিত হয়ে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের নিকট দেওনাই-চারানকাটা নদীর সাথে মিলিত হয়ে অবশেষে যমুনেশ্বরী নদীতে পতিত হয়েছে। এ নদীর নাব্যতা তেমন নাই। প্রবাহ সর্বোচ্চ ২ হাজার ৩শ ৭০ কিউসেক।

১০। দুধকুমারঃ দুধকুমার জেলার একেবারে উত্তর-পূর্ব সীমামেতর নদী। তিববতের মনকোশ নদী ভুটানের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে নাম ধারণ করে হরিডাক। কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী থানায় সোনাইহাট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে নামধারণ করে দুধকুমার। পাটেশ্বরীর কাছে গোদাধর, গঙ্গাধর নামক দু’টি উপনদী দুধকুমারের সাথে মিলিত হয়। এ দুটি নদীর প্রবাহ গ্রহণ করে দুধকুমার সর্পিল গতিতে চলতে থাকে। ৫১ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে নদীটি নুনখাওয়া নামক স্থানে ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিহ হয়।

দুধকুমারের সাথে মিশে আছে আর একটি নদী-ফুলকুমার। এরা যেন দু’টি ভাই। দুধকুমার বড়। ফুল কুমার ছোট। বড় কুমার দুরমত, ছোট কুমার নম্র। আবহমানকাল থেকে দুধকুমারের দু’তীওে বাস করে অসংখ্য মানুষ। 

১১। করতোয়া নদীঃ  তিস্তা করতোয়ার প্রধান চ্যানেল। ১৭৮৭-৮৮ সালের দিকে করতোয়া এর গতিপথ পরিবর্তন করে রংপুর জেলার ভিতর দিয়ে ব্রহ্মপূত্রের সাথে মিলেছে। করতোয়ার প্রধান স্রোত ভারতের সাথে সংক্ষিপ্ত/সংকীর্ণ সংযোগের মাধ্যমে মূলত নীলফামারী জেলাতেই প্রাবাহিত। গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাখালী নদীর সাথে মিলিত হবাব পূর্বে এটি দক্ষিণ দিকে নীলফামারী ও রংপুর জেলা হয়ে মিঠাপুকুর উপজেলায় দেওনাই, চারালকাথা এবং যমুনেশ্বরী নদীকে ছুঁয়েছে। এই মিলন স্থলে দক্ষিণমুখী হয়ে একটি শাখা উৎপন্ন হয়েছে যেটি বগুড়া শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত। সময়ের সাথে সাথে করতোয়া নদী বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দিকে প্রবাহিত হয়েছে এবং এতবার চ্যানেল পরিবর্তন করেছে যে, এখন এটিকে আসল নামে চেনাই কঠিন হয়ে পড়েছে। যাই হোক, এটি এখন কোন জায়গায় দেওনাই, চারালকাথা, যমুনেশ্বরী বা কোথাও করতোয়া নামে পরিচিত হয়েছে।

১২। দেওনাই-চারালকাথা-যমুনেশ্বরী নদীঃ দেওনাই-চারালকাথা -যমুনেশ্বরী নদীটি নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার ইন্দো বাংলাদেশ সীমামেতর নিকট দিয়ে প্রবাহিত স্রোত থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাঁটাখালী নদীর সাথে মিলিত হবার পূর্বে এটি দক্ষিণ দিকে ডোমার, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ হয়ে তারাগঞ্জ উপজেলার নিকট রংপুর জেলায় প্রবেশ করেছে এবং রংপুর জেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে মিঠাপুকুর উপজেলায় করতোয়ার সাথে মিলেছে, তারপর দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় প্রবেশ করেছ। এ নদীটি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হবার সময় ধাইজান, বুলাই, আউলিয়াখান, বুড়িখোড়া, চিকলী নামক অনেক গুলো নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।

১৩। যমুনেশ্বরী নদীঃ গিরিরাজ হিমালয়ের দক্ষিনাঞ্চলে রংপুর জেলার অবস্থান। উত্তরের উচু পাহাড়ী এলাকা হতে অসংখ্য নদী উৎপত্তি হয়ে  এ জেলার বিভিন্ন অংশের উপর দিয়ে দক্ষিন দিকে প্রবাহিত হয়েছে । বর্তমান নদী সমুহের গতী প্রকৃতি সকল সময়ে এক রকম ছিল না। বড় বড় ভূমি কম্প ও পাহাড়ী ঢলে এসব নদীর গতিপথকে এক স্থান হতে আর এক স্থানে যেতে বাধ্য করেছে । নদী গুলোর মধ্যে অন্যতম নদী হিসেবে যদিও যমুনেশ্বরী রংপুর জেলার পশ্চিম জনপদকে বহুলাংশে প্রভাবিত করেছে । তবুও ভূগোল বিশারদ রেনেল সাহেব তার মানচিত্রে এটিকে প্রদর্শন করেননি । কিংবা লেখক ঐতিহাসিক ও গবেষকগন এ নদীর কথা কখনই উল্লেখ করেননি । তবে ঐতিহাসিক এ কে এম নাসির উদ্দিন সাহেব নীরফামারির ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যমুনেশ্বরী নদীর কথা । তিনি বলেন ডোমার উপজেলার হংসরাজ বিল থেকে উৎপত্তি হয়ে নীলফামারি শহরের দক্ষিন পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কচুকাটা নামক গ্রামকে পাশে রেখে তারাগঞ্জ উপজেলায় প্রবেশ করেছে । যমুনেশ্বরী বদরগঞ্জ উপজেলার উত্তর পাশ দিযে এ জন পদে এসে প্রবেশ করেছে । অনেক ঐতিহাসিকের মতে এটি অতিতে যৌবনেশ্বরী নামে প্রবাহিত হতো । কালের বিবর্তনে আস্তে আস্তে এটি যমুনেশ্বরী নামে অভিহিত হয়েছে । উল্লেখ করা হয়েছে যে, এটির উৎপত্তি স্থল নিয়ে নানামুকি কথা প্রচলিত আছে । অনেকের মতে এটি তিস্তা নদি থেকে শাখানদি হিসেবে বের হয়ে এসেছে ।

১৮১২ ও ১৮৮৭ সালের পাহাড়ী ঢল ও ভূমিকম্প মূল ধারা থেকে এটিকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে এবং এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে । বর্তমানে এ নদির জল প্রবাহের উৎস বৃষ্টি ও ভূগর্ভস্ত পানি । যমুনেশ্বরীর গতিপথ তিন বৃহত্তর জেলা রংপুর ,বগুড়া ও পাবনার ভিতর দিয়ে প্রায় দুশত মাইল পাড়ি দিয়ে বা্ঘাবাড়িতে  এসে ক্লান্ত বেশে হুড়া সাগরে পতিত হয়েছে ।পথে পথে এ নদীর তীরে শেখেরহাট, দুরাতীতের জলুবর ,বদরগঞ্জ,নাগেরহাট ও বালুয়া বন্দর গড়ে উঠেছে ।  

রংপুরের অন্যান্য নদীঃ জেলায় আলাইকুমারী, কাতগাড়ী, স্বর্ণমতী নামক আরও অনেক ছোট ছোট নদী আছে যেগুলোর আঞ্চলিক গুরুত্ব অনেক।

ছবি


সংযুক্তি